সন্দীপন দত্তের কবিতা

 

 

স্ব
 

 

এসব সংকীর্ণ পাতালমুখী পথ

সুতোর ভেতর থেকে বের করে আনা

প্রলাপবিন্দু উত্তীর্ণ বোধ

যেন ফুল ফুটলেও শোনা যাবে!

ঘন মাথার শরীরে পিঁপড়া হাঁটে!

 

শব্দ থেকে অর্থের লোভ খুলে যাচ্ছে।

 

কিছুতেই ছবিটা সম্পূর্ণ হবে না।

 

জল ও ডাঙার সন্ধিতে থাকা বৃক্ষের

শিকড়ের মতো এসব লিখে রাখা।

 

অস্তি ক্রমশ অহেতুক...

 

 

 

মন্ত্রগুপ্তি

 

জলের তরল উষ্ণতা নিয়ে এলে

পাখির শরীর থেকে খসে পড়া পালকের

নৈঃশব্দ্যে বলে ফেলি অবসন্নতার গূঢ় সংলাপ।

 

ধৈর্য্য ধরে দেখলে চামড়া দেখা যায়;

আরেকটু নীচে মাংসের ধর্ষকামী সুখ।

নিজেকে কেটে উপাদেয় করি

তেল-লবণ নিয়ে এসো।

 

পাখির অস্তিত্বের মতো সন্তর্পণে বেঁচে থাকা

রম্য, অভিজ্ঞ এবং বায়বীয়।

 

বিষাদের কথা আরও খাদে গিয়ে বলতে হবে।

 

 

অবরোধ

 

কোথাও যেতে হবে।

কোথাও থেকে যেতে হবে।

 

মানুষের পৃথিবী থেকে অন্য...

 

প্রকাশে তেমন প্রয়াস নেই,

ভাষা জীর্ণ অন্ত্রের মতো কার্যকরী!

 

সান্নিধ্যপ্রত্যাশার ষড়।

 

বিশেষ কোনও উপশম বিনিময় হবে না।

 

 

ঋণ

 

এই কান দিয়ে পরামর্শ ঢুকে

ঐ কান দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে মৃদু আয়ু।

 

বটফল দেখিনি, আর একবার তবু কি

তোমার বাতাস খুলব না বিদায় পূর্ববর্তী?

 

'পূর্ব' আজ অহেতুক ফিরে ফিরে আসছে

একটি শব্দ, ভাঁজ করলে অনেকানেক আকন্দফুল।

 

গ্রামগন্ধ থেকে উঠে আসা কেতাকিশোরী

শহর বড় করে চলেছে, শহর বড় করে চলেছে, শহর...

 

ভাষা থেকে যোগাযোগ খুলে বেঁটে মেয়েটির

 

লম্বাটে কালো আঙুর দুটো রেখে দিতে চাইছি।