সৌমাল্য
গরাই-এর কবিতা
বাইনোকুলার
তোমাকে রহস্য
জেনে ছুটে আসে
অজানা পুলিশ
ছায়াবৃত্তে
ঘোরাফেরা করে প্রভু
ও কুকুর
খুনের প্রকৃত
দাবি মেনে নাও,
এখানে
হাতের চেনা ছাপ
রক্তের আধারে
ভাসে, তথাপি মেলে
না ঠিক মাপ
সন্দেহ জানাও
তাকে পুনরায় প্রমাণের
কাছে
ক্রমশ উপায়হীন
ভুলুন্ঠিত নাগকুণ্ডে
পড়ে
রথচক্র বসে
যায়, ধরা দাও দ্বিজভাবে,
শরশয্যারূপে
স্পর্শহীন
বন্দুকের নলে ছিটকে
বেরিয়ে এসো নিষ্কলুষভাবে
এমন নির্লিপ্ত
হয়ে বধ্য হও যেন
তোমাকে খুন
ভেবে চলে যায় গোয়েন্দা
পুলিশ
তোমাকে খুনি
ভেবে ফিরে আসে
গোয়েন্দা পুলিশ
সোনার কাঠি,
রূপোর
কাঠি
লিখবার পেন
আমি হারিয়ে
ফেলেছি
ফিরে আসবেই,
এ-বিশ্বাসে
দ্রাক্ষালতার
শৃগাল হয়ে
আঙুরের লোভে
চেয়ে আছি
এখন আমার
মাথার উপর
পয়গম্বর আকাশ
সেইখানে আনন্দের
বয়সী ছেলেরা সুতো
ছাড়ে
আত্মাময় এই
খাঁচাছাড়া। লালনও
যেমন
ছেড়েছিল বহু
শতাব্দী আগে
খুব সামান্য
একটা কলম গুপ্তভ্রমণে
বেরিয়েছে
আমি এখন দেখব—
অস্তনির্জন
সন্ধ্যা
শালবল্লরীর
মনস্তাপ,
মাথায় বোঝা
নেওয়া ঈশ্বরী পাটুনিকে
এইসব দেখতে
দেখতে ঘুমিয়ে পড়ব
কালো রঙের
অচৈতন্য মলাটের
দুই পাশে
কেউ আমাকে
ওল্টালেই আমার
ঘুম ভাঙবে
জেগে উঠে ফের
লিখবার চেষ্টা
করব আমি
ব্রিজ
বাহান্ন তাসের
খাপে
বাহান্ন সপ্তাহ
শাফল করে
প্রবেশ করেছি
ক্যালেন্ডারে
ভারি কিছু
পারি না তাই
জুলাই বরাবর
রেখেছি বৃষ্টি
ও ছাতা
জন্মটোটা বুকের
ভিতর ঢুকিয়ে
সেই যে বেরিয়ে
এলাম রক্তভর্তি
দেহে
প্রেত না বলে,
মানুষ
ডাকে লোকে
কিছুটা পেছিয়ে
গিয়ে জুনের মাসে
বোনলেস হৃদয়
নিয়ে বসি
যেহেতু নেকলেস
নেই কোনও
নরম পাঁপড়ি
দিয়ে কাকেই বা
জাগাব
রুমালের ভিতর
থেকে যেই বেরাল
বেড়াল
আঁশটে গন্ধের
পিছু পিছু ঘুরে
বিশেষ্যে আরম্ভ
হয়ে লঘু ক্রিয়াপদে
বাকি দশমাস
কেটে গেল গর্ভভাড়ায়
-----------------------------------
এ যা
ক র
টা অ
প ক্ষ
থ
ব খুঁ
রা জ
ব ছি
র
হাঁটলে নিজেকে
অজ্ঞাত মনে হয়…
![]()
![]()