সৌগত বালীর ছোট গল্প

সৌগত বালি তরুণ গদ্যকার। ওঁর গদ্যশৈলি অভিনবত্বে সম্পূর্ণ সমান্তরাল। দুটি বই বালীলিওর গল্প, সিওয়ান্টুসেভেন।

 

একটি আন্তর্জাতিক পাঁচতারা হোটেলের বল বিয়ারিং এর মেরামতি সংক্রান্ত কিছু কথা

 

রণমিকি দেখেছিলো কাঠেরা কাঠেদের খেয়ে ফেলে । এই আসবাব ডিভানের ওয়ারড্রোবের কানাচে। দেরাজের প্রতিটা কোনাকুনি। রণমিকি এই সমুদ্র। মেহনতি বাতাস জানলার পাল্লা পর্দার উড়ে চলা সে খুলে দেয়।

 

এতাবৎ বাচ্চাটা কাঁদছে । বাচ্চাটা দীঘল এই হাইড্রোক্লোরাইড আনলার পাশে অনিবার্য মুতে এই দীর্ঘ সুদীর্ঘ অতিদীর্ঘ বছরগুলো ভালোঋ তোমার নাইটির ভেতর থেকে ঐ মেহনতি হাওয়ার একটা টি ঝুলে থাকে রণমিকি । নর্ন কে দেখে থাকবে ভেবে ।

 

: আমি তো রাস্তার ভেন্টিলেসন দেখতে দেখতে লাউঞ্জে ফিরে আসি আমার কার্নিস থেকে সেবার যে সব পাকা চাল কুমড়ো আমার বিচি ধরে নেড়ে যেত ইসমত চাচা । খোদা মেহেরবান । একটা প্রবল শহর খেয়ে ফেলেছি বহেঞ্চোদ । ও আমার হাতের আঙুল বেদানার মতো ভালোঋ কত চুষে রক্ত সাবাড় করে দিয়েছে ড . খলিল জিব্রান ।

 

: ওরা রুম বয়ের হাতে এই ঘরের চাবিটা রণমিকি অহেতুক অকল্পনীয় ঘর দোর চিৎ দেখে থাকে আমাদের সম্পর্কের ভেতর তুমিও কি তাই ? এবং তাই কী তুমিও ! আকাশের বায়ুরুদ্ধ চাপ আমাদের গঞ্জের কথা বলতে নেই ভালোঋ । এই তুমি রোম রোম হয়ে যাচ্ছো ।। রণমিকি হাত চালাতে চালাতে বলল তোমার হিলিঞ্চা শাকের নিভৃত সরালে বা হাত লাগে যদিবা দখল আন্দাজি এলোভেরা জেল ছড়িয়ে গেছে। এসব ডিম্বাণু সংক্রামক জেলটি এই শালা প্রলেতারিয়েত বাতাস গন্দেগি থু !!!

 

ভালোঋ তোমার এলোভেরা জুস এই ভরদুপুর খেতে থেকেছি আমার লিভার সংক্রান্ত সমস্যা দূর হবে। ভালো কথা ভালোঋ হোটেলের জানলা দিয়ে দেখছিলুম সন্ধ্যাকালীন বারটা লা ব্রাসেরি একটা বেলফুলের মালা খোঁপায় বেঁধে

 

আমাদের সেসব আসল্ট পাহাড়ের গাছে গাছে ফ্যান্টমা ফ্যাণ্টমি বসে থাকতে দেখেছি কতকাল ছায়া প্রলুব্ধ আহারে আমাদের মিকি মাউসের জীবন কাঠেদের মৃত্যুবার্ষিকী গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে যাচ্ছে বাবার ইজি চেয়ার ইসমৎ চাচা হাসেন সে যে ফ্যান্টম ঐ গাছের আড়াল আবডাল মৃত্যুশোক ।

রুমবয় এসে ঘুমটা ভাঙিয়ে দিল। ডাক দিচ্ছে ম্যানেজার এসে ডেকে যাচ্ছে তাদের খুব তাড়া । একটা ঘুপচি লুকনো ঘরে সে ডেকে এনে বলল । এভাবে আমরা কোনো না কোনো স্বপ্নের দখলে চলে যাচ্ছি । ফলে এভাবে কনসিল ওয়ারিং এর ভেতর পনেরো এম্পিয়ার চালাচ্ছি না আমাদের হোটেলের কলমগুলি কালিশূণ্য হয়ে যাচ্ছে রিফিল চেঞ্জ করা যাচ্ছে না ইত্যাদি আরো সেকথা বলতে বলতে ম্যানেজার লবির দিকে হেঁটে যাচ্ছিল এবং সে বোঝাচ্ছিল রনমিকি এইসব ঘুমন্ত বিয়ারিংগুলো বুঝে নিতে একদিন তাকে জেনে যেতে হবে হোটেলের ফাণ্ডামেন্টালটি । যেমন ফুড প্রোডাকশনে মিস্টার পিটার তার বাঘের সামান্য ঘ্রাণ পেতে থাকে ও আশ্চর্য সব কুইজিন এর খাবার এই সমস্ত লালসায় পা দিতে গিয়ে অমোঘ দলদল । ম্যানেজার মুচকি হাসছেন অথবা ফ্রন্ট অফিসের মিনিকুন্তলা এক অভূতপূর্ব মাছের আঁশ ছাড়াতে ছাড়াতে বিলিং , ইনফর্মেশন, ডেস্ক ওয়ার্ক সারতে সারতে একদিন

 

রণমিকি তার অসমাপ্ত চোয়ালের মধ্যে একটা চিউইং গাম রিকসাইল করতে করতে ভেবে থাকলে পারত ভালোঋ । এ তাবৎ দেখা গেলে দেখা যাবে কিছু ব্যাক্তি বিশেষের জোরাল স্বপ্নের ভেতর অন্যান্য মাস ফেঁসে যান ফলে তাদের আর কোনো নিরুত্তাপ স্বপ্ন থাকে না তারা সব অন্যের স্বপ্নের ভেতর খেলোয়াড় । দাবার ঘুটি রণমিকি চালের প্যালেস্টাইনে হাত রাখে । ভাবে।

এরপর গোনার ইচ্ছা ছিল না যে সমস্ত ঘন্টা দিনগুলো যে গুলোকে মিনিটের মত দেখতে যেগুলো সেকেন্ডের মত আচরণ করে সে মস্ত সময় ধরে ব্যাঙ্ককোয়েট হলে তিনি এসে দাঁড়ালে আমরা বাধ্যতামূলক সমবেত হই ম্যানেজার । তখনতো কার্ল তার পূর্বাপর অভিজ্ঞতা গুলো কয়েক শ বছর চালাতে চালাতে যাঁদের স্বপ্নের ক্রীড়নক করে ফেলছিল তারা জানতেন না ইনিই তাদের প্রাইমোডিয়াল বাবা যাকে হত্যা করে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কার্ল ঈশ্বর ছিলেন।

রণমিকি বুঝছে একটা হত্যা কাণ্ডের পরিকল্পনা অবকনসাস গড়ে উঠছে কোথাও এবং

রণমিকি তোমাকে কি করতে হবে ?

 

ভালোঋ : খুবই পাতলা এক সালফিউরিক জলরাশির মধ্যে সমুদ্রঘোড়া হয়ে জন্মেছিল ভালোঋ উঁচু পাহাড়ের ফ্যান্টমি ও তার দীর্ঘ কিলোমিটার পরিতুষ্ট ছায়ার ভিতর সে দেখেছিলো ভালোঋ একই নির্দিষ্ট বছরের ঘড়ির কাঁটা মিলিয়ে রণমিকির থেকে সামান্য অতীতে চলে যাবে। সেখানে পাঁচতারা হোটেলের পিছনে খাঁচা মধ্যে সাজানো বাঘেদের লালসা সুতরাং উহাদের হাতের জুপিতারে অখনের খানার বড় আস্বাদ লাগিছে পিটার । ফুকুন অন্ধকারে অথবা সে জু । সে অথবা জুজু। অথবা যুযুধান এই আমাদের দুহাত ও আসলে উ হা হুহা জ্বলিতে থাকব। আমাদের একহাত ছিলো। কদম কদম ছিল যদিবা কোনজন বলশালী মেথরকোন আলোর ঝকমারি কেবলিমাত্র আমারি আমারি করিব মনস্কামনা হেতু থুয়া মরিব কোন জান পারিনা। সুতরাং যদিচ ঘনিষ্টকারি হা একা একা খা আলমগীর হাতার উষ্ণতায় ফ্যান গেলে তুফ্যান জ্বেলে সমূলে আকাঙ্ক্ষার মসজিদ ওঠে পূর্ণমাস আহা কী অভাবগো খাদ্য নেই দানাপানি হারাম সাল্লালাহু কিরিনাম গিরিনাম ওরাও ডিসেম্বর লোহান দরদর ঘাম চন্দহান কিসব বলিয়েছি সক্কল সক্কল ! ইহ আর মেহনতি বুঝি নাই। সুতরাং তোমরা আমাকে লাথি কেলাও। আমার মুখে মুতে দাও। দোষ কি বিলিবিতো সর্দ্দার। ইদানীং অনেক সুনসান হলে মারীচ একদিন আসিব ওহো ঐ সোনালী তোমার বিপন্ন গোদের উপুর করা সাগু দানার রোদ্দুর এই আমার জানালার পিছনে পিছনে যেখানেই মৃত জানছিলাম গতকাল বহুবছর ও ভাই সে সম্ভব মৃত্যুর গোড়ায় উফ কু ঝড় ধুলো উরিতে উড়িতে এক জমাট বদ্ধ তার জন্ম হইল মিনিকুন্তলা।

তারপর কি হলো দাদা সে জিজ্ঞাসে মিনিকুন্তলা আমিই কী সব বলব! এ শহরের প্রস্থ উচ্চতা কোনো এক বিভ্রান্তিকর সকালে পিতার পিটার অনীশ ধারণাগুলিকে ওসব থাক এখন সূর্য আবার মেহনতি টেবিলের কাপে একটা সোনালি হরিণ। পিটার একটা চওড়া হাইওয়ে দেও ই হাইরাইজ বাড়ি গুলানের ওপর দিয় হাঁটিছ পিটার এই অবেলা সূর্য কাঁধে কম্বল রাখিব দেখিবি বাঘের মাংসের বিরাট টান।

 

সন্ধেবেলা হাউস্কিপার এসে জানালে তাঁদেরও উপকথা আছে। এই যে সুটকেস ভর্তি গোটা পরিবার একদিন বয়ে এনেছিল সে; সেও এক রূপকথা। হাউস কিপার অনেক নিচের রাস্তা থেকে ঘাস ফড়িং ধরে আনতে হবে। তার ছেলেটা কেবলমাত্র একটা ঘাস ফড়িং এর দুঃখে দুমাস স্কুলে যায়নি। রাত বাবা পুরনো জ্যাকেটের পকেট থেকে উঁকি মেরে এই কাল বলেছে ঝাঁঝালো রান্নার জেরে সব মিথ্যে হয়ে যায়। তার রুকস্যাকের ভেতর হাউস কিপারের মা বলেছিল সীমান্তের দিকে পালিয়ে যাওয়া তার বৌমা মিঁয়া কবিতাকে একবগ্গা সমর্থন করছে। আসলে ভাষা একটা পুরনো কাঠ। হাউসকিপার দেখেছে কাঠেরা কীভাবে কাঠেদের খেয়ে ফেলে।

 

#### ##### #### ####

 

একটা কারখানা গেটের বাইরে মঞ্চে উঠে পড়ে মণীন্দ্র। কারখানাটা বহুকাল বন্ধ। পার্থেনিয়ামের জঙ্গল অথবা এভাবেও ঘটে যায় পেছনের দাঁড়ানো কারখানাটার বীর্যপাত ঘটে গেছে । অথবা ওভাবেও একটা বৃহত্তর হাউজিং কমপ্লেক্স সাঁ করে রিতরীণা বলেনো চেপে বেরিয়ে যায়। অতি কম বন্ধুগণ এই খেটে খাওয়া বাতাসে হারমোনি আমরা কালো ধোঁয়ার ভেতর কত রোঁয়া উঠে যেতাম কত ভেতর কড়া চায়ে আসি রুটি চুবিয়ে মণীন্দ্র সকল অপেক্ষা করিতে থাকেন । সে অতন্দ্র ভোঁ টি ভোকাল কর্ড চিরে এই থোকা থোকা রক্ত।

 

মানুষ কত যেন রক্ত দেখতে ভালবাসে। রক্ত মানুষের আস্বাদ বদল করে যেত। রিতরীণা তাদের পেটেন্ট দেওয়াল চেটে দেখতে থাকছিল সেই একই নোনতা স্বাদ। সুতরাং মণীন্দ্র মরেনি তাই মণীন্দ্র সেভবেও মরেনি। কড়া চায়ের কামড় খেতে খেতে এই সমস্ত ভোর। একটা ভোঁ। ভোকাল কর্ড। চিরে যাচ্ছে থোকা থোকা ব্লাড অর্কিড এই আমাদের উঠোন জুড়ে। ইন্দ্রনাথ উঠোন সর্বস্ব চারাগাছ সমূহ আমার পাতার নিবিষ্ট আড়ালে প্রচ্ছন্ন ডালপালার ফ্যান্টমে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চশমা মুছে ছিল। মণীন্দ্র বুঝতে থাকে অসামান্য থোকা ফুলে বাগান একদিন ভোঁ বাজিয়ে দেবে আর টুলের ওপর শহিদ স্মরণে আপন মরণে করতে করতে মঞ্চ দুলে উঠবে পেছনে হাউসিং কমপ্লেক্স এর বারান্দা রিতরীণা তার লুকনো রক্ত দাগ মুছে ফেলতে থাকবে ও সে এই কমলালেবুটা পচতে দিল। লেবুটার বাজার দর নেই রাস্তায় সবার পায়ের নিচে পিছলে যাচ্ছে পৃথিবীটা।

 

কেন আমরা আমাদের বালের বিজ্ঞান দিয়ে ফোন না বানিয়ে গাছের সঙ্গে মিশে যেতে শিখলাম না। আমার মুখে সদ্য গজানো সতেরো বছরের দাড়িগুলো কমাহীন মাধবীলতা বেড়েছিলো। মণীন্দ্র আয়নায় দেখেছিল প্যান্টের নিচে কলমি শাকের নরম জঙ্গল তখন ভোর ভোর গঙ্গাফড়িং তার তাজা বীর্যটি কলমি শাকের কোমল পাতায় ছেড়ে দিয়ে কী তৃপ্তি ভাই গালে ব্রণ খুঁটে ইন্দ্রনাথ এমনই হেসেছিল। বলেছিল। আন্দোলন দীর্ঘজীবী হোক।

 

কীভাবে এ অনন্তক চাঁদ রিতকর্ণা তোমার পেটি কোটের ভেতর গুলিয়ে ফেলল সেকি অসাধারণ কোনো ফাঁদ। পাতলা নেটের নিচে চাঁদগুলান অসহায় যেন দুচোখ দিয়ে ঠাওড় করতে লজ্জা করে। ইন্দ্রনাথ অবশ্য আড়াআড়ি চেয়ে চেয়ে দেখে ভাবত এতো চাঁদ এতকাল চেয়ে দেখেনি চেয়ে পায়ওনি। তখনতো সুকান্ত চাঁদ কেটে এনে কড়া চায়ে চুবিয়ে ফেলেছে একটা ভোঁ এর অপেক্ষা। এক একটা কারখানা আমরা দাবীর পাহাড় গড়ে লক আউট করব। তোরা এমতাবস্থায় চিন্তা করিস না। বুদ্ধ এলে কারখানা হবার সম্ভব্যতা বাড়বে। অর্জুন ছুটবে রাস্তায়। ধুর বাল অর্জুন না বৃহন্নলা!

বিজ্ঞান এর ব্যবহারিক দিকগুলি পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে বিজ্ঞান শুধুমাত্র এই কমলা লেবুটাকে গাছ থেকে সতেজ পেড়ে এনে পচিয়ে ফেলেছে। গন্ধ ছাড়ছে রিতকর্ণা এতাবত একদিন ঘরদোর সাফ করতে গিয়ে সেসব ফেলে দেবে।

 

ইন্দ্রনাথ এই ত্রিশোর্ধ কমরেডদের জ্যাম লেগে গেছে এখান থেকে গাড়ি ডান দিকে নিয়ে যাও তারপর আর আট বছরের মওতর্মা সেও এক হাস্যকর যন্ত্রণা। রাস্তার অবাধ ময়লা ফেলবে। এক লিটার জল খেতে গিয়ে এক পুকুর জল কুলকুচি করবে কী সব দুর্গন্ধময় রিতরীণা এভাবে যখন তুমি হাউজিং ছেড়ে ছেড়ে রাস্তার কোলে এসে দাঁড়াও তখন সীমান্ত পেরতে থাকো। সীমান্তে তোমার ধারালো কমলালেবু দরদস্তি হয়। কোয়াগুলো নরম হয়ে আসে তবু তোমাকে পার হয়ে আসতে হবে শেখ হাসিনা বলেছেন গড়ানের ক্রমান্বয় গড়িয়ে পড়বে হিন্দু বাংলাদেশিরা। এটাই ন্যাচারাল অস্‌মোসিস ।

 

######## ######## ####### ######

 

ভালোরাতে হাউসকিপার তার গ্রাম্য জমানো বিরল ভেষজ ধোঁয়া দিতে দিতে বলেছিল। ভালোঋ শুনেছিল। সে শুনেছিল তখন গ্রাম ঘরের ব্যাপার একটা গোসাপ মা লক্ষ্মী সেজে এসেছিল কালকেতুর ঘরে। তখন থেঙে সবাই ভেবেছিল এই দীঘির আওতা জলে তিনি বাস করেন তো সে সবার অনেকদিনকার কথা হাউসকিপার ও তার বাবা দিনরাতের যে কোনো ক্ষণে একটা আশ্চর্য জল এনেছিল মা লক্ষ্মী যদি বসত ভিটায় ফিরে যায়।

 

সে দিন কী রাত না ভোর ভোর তারা পুকুরের সামনে বসে কী দেখেছিলো!

 

তো এক আশ্চর্য সোনালী বাঘ তার জলাভূমির অন্দর থেকে স্তনাভিষেক হতে থাকে । বাবা ঝোপঝাড়ের লুকনো পালিয়ে যেতে থাকে ওরা। হাউস কিপার শ্বাস ছাড়ে। সে এক মা লক্ষ্মী বাঘিনী ও তার মোহগুলি এই বাক্সের ভেতর মোহর জমা হতে থাকে। বাঘিনী বাঘিনী পদ্মঅধিবাসিনী তার কী পরিমান লালসা! ও এক হাউস কিপার অথচ এই সোনালী বাঘিনীর অনন্ত লোভ তার ঘ্রাণ। একদিন অথবা সমস্ত জীবন একই বিছানায় আপনি সে আপনি এও কী সম্ভব! হাউস কিপারের বাবা ভেবেছিলো এমন ঘটতে থাকলে সে ছোট হয়ে যাবে। আর আপনি বাবাটি হয়ে ছোট হয়ে যাচ্ছিলেন সমস্ত পরিবারটি একটা সুটকেসের মধ্যে অনন্তকাল। হাউসকিপারটি কাঁদতে কাঁদতে চলে যায়। রণমিকি শাওয়ারের নিচে থেকে সব শুনতে পাচ্ছিল। হাত পা কাঁপছিল। ও বুঝতে পারছিল রণমিকি একটা শস্যের সন্ধান এই হোটেলের রাতে ধারাল ইঁদুরগুলি একদিন তাতে সঞ্চয়ের লোভে টেনে নিয়ে যেতে পারে গর্তের মধ্যে নাকি কোনো একটি ইঁদুর অচিরেই টেনে এনেছে তাকে। হোটেলের একজন স্টাফ ইন্টারকমে ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন হোটেলের বিয়ারিংগুলো কোনো কাজ করছে না। ফলে হোটেলের মুভমেন্টগুলো অকেজো এবার কালি শূণ্য কলামগুলো আক্রমণাত্মক হতে পারে। ভালোঋ আর অবশেষে সুইমিং পুলে এসে দেখলো রণমিকি কাঁপছে। এখনো। ম্যানেজার হাসছিল রণমিকি। এই পাঁচতারা হোটেলের বাইরে যতটা চলে যাব ততটা আকাল। খরা। মহামারী। একটামাত্র চালের জন্য কতরকম চাল ছেলে ফেলছে। রণমিকি তুমি শান্ত থাকো। তুমি বরং তোমার পুরনো মাকে মনে করে দেখ সে তোমার লাগাজের মধ্যেই রয়ে গেছে নাকি! রণমিকি জানতো তার আদি পিতা তার পুরনো মাকে হত্যা করেছিলো। সে ভেবেছিলো মা একটা সোনালী বাঘিনী এই হটাৎ অসংখ্য দিনারের দিনগুলোর ভয়ে। ভয়ে কাটাতো কারণ সে ভেবেছিলো সোনার পেছনে যে বাঘিনী সেতো খাবেই। খেয়ে ফেলবে। আদি পিতা ঈশ্বর ছিলেন তাকে খেয়ে ফেললে ঈশ্বর চেতনা নষ্ট হবে নতুবা।

 

ইন্দ্রনাথ একবার দেখেছিল রিতরীণা কারখানা গেটের সামনের একটা ষড়যন্ত্র। এই অদিনে মণীন্দ্র একটা থোকা রক্তের মতো গাছপালায় ছোপ পরে আছে। মেয়েটা একদিন রাষ্ট্র ব্যবস্থার আদিমটাকে বেচে দেবে আমাদের হাতের সামান্য যে গুলোর সংখ্যা কম। অর্থাৎ এদেশটা বেশি জন সমর্থনের ওপর দিয়ে চলে । লঘু সংখ্যার ভাবনা গুলো মিথ্যে প্রমাণিত হয় । ঐ পাহাড়ের মাথাগুলো আমাদের লাগবে কারণ বশত সুরক্ষা । আর গণতান্ত্রিক পথে একটা ক্লাবও চালানো যাবে না ভাই। পাহাড়ের চূড়াগুলো একদিন বরফের ব্রা গুলো ছুঁড়ে ফেলে দেবে আর তখনতো রিতরীণা পেল্লায় একটা গাড়ীর ভেতর সোনালী রোদ একদিন ঠিক একদিন। ইন্দ্রনাথ পার্টি অফিসের দরজার সামনে এসে একটু বিলিতি চড়ায়। এখানে অফিসের দরজার পাশে সামান্য ঝোপঝাড় থোকা থোকা রক্ত ছুটে ফুটে আছে অলীক । এখনতো গনতন্ত্রের কথা বলতে টিকে থাকতে হয়। সমাজতন্ত্র চাপা পরে যাচ্ছে রিতরীণাদের ড্রেনেজ ব্যবস্থার ভেতর । হাউসিং কমপ্লেক্স এর ড্রেনেজ পাইপগুলো জ্যাম। জল বাড়তে বাড়তে চায়ের কেটলিতে ঢুকে পড়েছে কখন। চায়ে চুমুক দিয়ে নর্দমার গন্ধ পায় ইন্দ্র -রিতরীণা তোমার কমপ্লেক্সের ভেতর কোথাও না কোথাও আমাদের জুটমিল লুকিয়ে আছে বি শিফ্টের ভোঁ বাজে প্রায়ই শুনতে পাই মণীন্দ্র চায়ে রুটি চোবাচ্ছে তাড়া লেগে যাচ্ছে ভোঁ এর আগে কত সংখ্যক সুতো জড়িয়ে গেছে । পাটের ফেঁসো আটকে আছে কে জানে। মণীন্দ্র জানতো বাসিরুটির মধ্যে অনন্ত পাটের ফেঁসো থেকে যায় । গলা অবরোধ করে তখনতো কিছু আর বলার থাকে না। মঞ্চে উঠে দাঁড়াতে হত কেবলমাত্র বন্ধুগণ আমাদের গোষ্ঠী সমর্থকরা আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম কারখানার চূড়া থেকে বরফ গলে পড়বে একদিন আর তখন সোনালী স্বপ্নও এক কুপ্রথা রিতরীণা একথা মণীন্দ্র একবার বলেছিলো ।

 

রিতরীণা হাতের বাদামের খোলায় চাপ দিতে দিতে ভাবছিলো এভাবে চাপ দিতে দিতে একদিন একদল রাষ্ট্র ব্যবস্থার বাদামটি বের করে আনবে। খেতে থাকবে। আর সামান্য ফ্যাটের ওভাবে আমাদের মাথা ঘুরবে ইন্দ্রনাথ। ইন্দ্রনাথ তুমি মণীন্দ্রর অভেদতত্ত্বটা বোঝেনি মণীন্দ্র + ইন্দ্রনাথ = মণীন্দ্রনাথ এভাবে টের পেয়ে যেতে এতোবছর কাটিয়ে দিলে আমি বুঝতে পারছি এখন। এখনো এই ড্রেনেজের সমস্যার ভেতর কারখানার গুপ্ত উৎপাদনগুলো হয়ে চলেছে আর এই দুর্দান্ত পাটের ফেঁসো জাম হয়ে যাচ্ছে সব একী লক আউট এর সিদ্ধান্ত মণীন্দ্রনাথ !

 

হোটেলের এ শিফ্টের ভোঁ শুনে ঘুম ভাঙে রণমিকি। তাহলে কী হোটেলের বাইরে এমারজেন্সি চলছে নাকি! হোটেলটা এই চিহ্নিত সাইরেন বাজিয়ে নেমে যাবে। ভালোঋ জানলার ভেতর থেকে দেখেছিল এই পাঁচতারা হোটেলেটা ধীরে ধীরে জঙ্গলের দিকে সরে যাচ্ছে। আর তার পেনিয়াম সংক্রান্ত চিৎকার কী আওয়াজ কানে তালা লেগে যেতে থাকে। রণমিকি এখন অঘোরে লেপের নিচে কম্পনটা টের পাচ্ছিল এসব যন্ত্রণার মধ্যে হোটেলের কাঠামো ভেঙে পড়তে পারে গিয়ারগুলো স্লিপ করছে প্রবল।

 

মণীন্দ্র যেন কতকাল। এইসব নলস্থ জীবন। এভাবে তারতো হাজার বছরও কেটে যেতে পারে। হয়তো কোনোভাবে বোঝা নাও যেতে পারে। এখন নাকের ভেতর গরম ভাতের ফ্যান ঢুকছে মুখ,কানে, পোঁদের ফুটোতেও এমন কি। রেক্টাম জ্বালা করতে থাকে। রিতকর্ণা হাউসিং এর এভাপরূপে নালার মধ্যে দিয়ে চলে যায় সে কোন অতীন বদ্ধ জলাশয়ের খোঁজে এই আভ্যন্তরীন লক আউট। অন্তহীন বন্ধের চোরা গোপ্তা অসহ্য লাগে । এখন সূর্য সম্মত এই দুপুরে কোমর পিঠ ব্যথা ধরে যায় রিতকর্ণা উপুর পেতে দেয় বিছানায় তার আর আশ্চর্য বালিহাঁস ডুব কোমরের অতলান্তে ও আর সম্ভবনার ডিম গুলো সেসব গভীরে কত যে প্রসব করেছিল বালিহাঁস এখন কোমর পিঠ জুড়ে সামুদ্রিক ফেনা,মাছেদের কাড়াকাড়ি হায় একদিন বালিহাঁসের ঝাঁক কোমরের নিচ থেকে উড়ে যাবে সমাজতান্ত্রিক। আমরা তো কেবল একটা শহরের বা নিদেনপক্ষে একটা হাউজিং এর ড্রেনেজ ব্যবস্থা পণ্ড করে দিতে পারি না যেটা একটা কারখানা ছিল একদিন ।

 

রণমিকি ভোরবেলা হোটেলের জানলায় দেখেছিল হোটেলটা একশ চুয়াল্লিশ ধারা থেকে সরতে সরতে গাঢ়তম জঙ্গলের দিকে চলে আসছে এখানে কয়েক মুহূর্তের দূরত্বের একটি নদী যার মাথার ওপর আরেকটা বাষ্পচালিত নদী। রণমিকি ভোর ভোর স্টিম ইঞ্জিন চালু করে দেখেছে আকাশের নদীটি দিব্যি চলে যায় গতিময় পাতাদের,গাছেদের হাওয়ায়। ভালোঋ হাসে, বলে পাতারা প্যাথলজিক্যাল লায়ার। তারপর ঘনরাতে সে ঘোরের মধ্যে ডেকে এনে দেখায় হোটেলের গোপন খুপরিতে সে এক সোনালী বাঘিনী প্রসব করেছে । তার বহুকাল উপকথা গুলো বানানো ছিল হাউস কিপার কেন যে এভাবে আক্রান্ত বাঘিনীর সংক্রামক পিল্সটি ব্যবহার করলো না!

 

হাউস কিপার বেডকভার পাল্টাতে গিয়ে আবার বকতে শুরু করলো। আমাদের ছেলেটি যে ফড়িংটার জন্য ইস্কুলে যায় নি সেটা একটা ড্রাগন ফ্লাই ছিলো। কারণ হাউস কিপার জানতো না পর্যন্ত সমস্ত ফড়িংই ড্রাগন । তো কোনো একদিন সকালে বোয়েমের ভেতর ভরে রাখা ড্রাগন তার উত্তাপ বাড়াতে বাড়াতে বাড়াতে বাড়াতে বাড়াতে সোনালী ধান পুড়ে যাচ্ছে। হাউ হাউ দেখেছিল হাউস কিপার। পার্টি অফিস বলছিল বাজার গরম ছিল। গরম বাড়ছিল। শুখা ধানের দহন ক্ষমতা প্রচুর। পুড়ছিল। যা ম্যালা ফ্যাঁচ ফ্যাঁচ করিস না। ড্রাগন বাড়বে। কারণ সমাজ পরিবর্তন জরুরি। সামন্তদের হাত থেকে জমি কেড়ে আমরাই পাট্টা দিয়েছি। এই সমানুপাতিক অঙ্কে সোনালী বাঘিনীর বিলাস হতবাক করে। এ সমাজ ব্যবস্থার কথা কল্পনা করেনি কার্ল। কার্ল জানত পিতা পুরুষকে একদিন না একদিন খুন হতে হবে। আদি যিনি তো ঈশ্বর অতএব ঈশ্বরের মৃত্যুদণ্ড নির্ধারিত।

 

এবার অবসাতঁবেলা কোমরের ওপর ঝোড়ো হাওয়া বালি উড়ে যাচ্ছে ও সামুদ্রিক ফেনা । রিতকর্ণা আবেশে ডুব দিতে দিতে ভাবে কোমরের সুগভীর তলদেশ থেকে ডিম ফুটে ফুটে বালিহাঁসের ঝাঁক উড়ে যাবে নাভিদেশ পেরিয়ে অনুচ্চ পাহাড়ের দিকে। মণীন্দ্র কোনোকালে পীনোন্নত পাহাড়ের চূড়া দেখে নি । সেদিনের সন্ধ্যায় পার্টি অফিসের দরজার সামনে কাশতে কাশতে থোকা থোকা অর্কিড জমে যাচ্ছিল রক্তাক্ত স্যালাইভার গাঢ়তা চেয়ে দেখেছিল ইন্দ্রনাথ, স্রেফ চেয়ে দেখেছিল।

তো ফড়িং এর মধ্যে থেকে ড্রাগনটি বেরিয়ে এলো টি পটের রক্ষণাবেক্ষণ করতে করতে বলে ফেলল রুমবয়টা চুপি চুপি। এখানে আরো অনেক কারবার আছে। ম্যানেজারের ব্যাগের ভেতর সে তার আদিম পিতাটি বয়ে বেড়ায় । সে এক ঈশ্বরও বটে অথবা সে এক লালসামাত্র। এই জঙ্গলের মাথা বরাবর বয়ে যাওয়া ঝর্নাটার নিচে আদিপিতা কখনো একবার দেখেছিল একটা সোনালি বাঘিনী আর ড্রাগন ফড়িং প্রজননশিল্পে প্রচুর প্ল্যাটিনাম উৎপাদন করে ফেলে আদিপিতার ও সমস্ত লালসা আহা উত্তেজক খাবারের মতো এক্কেবারে।

 

রণমিকি বুঝল কার্ল এক লালাসার গোপন আত্মত্যাগ এই পাঁচতারা হোটেলেটি একটি চক্রান্ত এই ক্রম ঘনক কাঠেদের সমাজ ব্যবস্থায় এবার একটা ঘুন ধরে যাবে । অরণ্য নানান উপকথা বানাতে পারে তার নানান প্রাকচিন্তা থাকে তখন সে অমানব বিশেষের মধ্যে ঈশ্বরকে সাজাতে থাকেন যেমন এখানে সোনালি বাঘিনী এক মা লক্ষ্মী অথচ ভেতরে ভেতরে খনি আবিষ্কারের লক লক জিভ ।রণমিকি হোটেলের চক্রান্ত থেকে বেরিয়ে সুদূর পাহাড়ের জিহ্বা মন্দিরে যেতে চাইছিল ওরা । ম্যানেজার এসে বললেন সিকিউরিটি গার্ড বিদ্রোহ করেছে ওরা হোটেলের বাইরে যেতে দেবে না । যা লড়াই সীমান্তের মধ্যে সেরে ফেলতে হবে। অর্থাৎ ওরা বহুকাল থেকেই একটু একটু করে নাগরিক অধিকার হারাচ্ছিলো এই পাঁচ তারা কি একটা ক্যাম্প ! এই অস্থায়ী টিকে থকা আর কতকাল এভাবে আবার প্রবল কম্পন শুরু হচ্ছে। বিয়ারিং সংক্রান্ত সমস্যা রণমিকি তোমাকে বেসমেন্ট নেমে দেখতে হবে এই যান্ত্রিক অনিয়ন্ত্রণ আমাদের কোনদিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে । ভালোঋ বুঝতে পারে সে রাত বা ও রাত ভালোভাবে ঘুমোতে পারবে না সে। এই পাঁচতারা হোটেল আসলে গোটা রাষ্ট্র্কেই সুকৌশলে দখল নেবে। তখন গোটা রাষ্ট্রটা ক্যাম্প হবে। কলম গুলো ভেঙে পড়বে। বেয়ারিং এর প্রয়োজনীয়তা হারাবে কার্ল। রণমিকি হাসতে হাসতে বোঝে আদিপিতা কার্ল বা মন্দিরের জিহ্বা আসলে একটা ভ্যাকুম ক্লিনার টেনে ফেলছিলো সব। রণমিকি চিৎ হতে থাকো। শুতে থাকো। তোমার ল্যারিঞ্জস্কোপ থেকে বনচাঁড়ালের পাতায় একদিন সূর্য মেলে ধরবে সূর্য আসলে অজস্র ড্রাগন ফড়িং। ভালোঋ ভালো করে জানলার পর্দাগুলো সরাও , দেখো তোমার জানলার ভরপুর দুগ্ধ প্রকল্প এর ভেতর সোনালি দুধ জমে উঠছে। তাহলে কি হাউসকিপার তোমাকেই দেখেছিলো! ভালোঋ হাসতে থাকে এই তার অন্তিম দৃশ্য একবাটি সোনালি দুধের যুদ্ধ জয় ফেলে রেখে সে ফিরে যাবে সেই জনপ্রিয় চার রাস্তার মোড়ে যেখানে এই আন্তর্জাতিক হোটেলটি মাত্র কয়েক বছরের জন্য দেখা গিয়েছিলো।

 

পার্টি ফাণ্ডের টাকা তছরূপের দায়ে মণীন্দ্র সাব্যাস্ত হতে থাকে আসলে থোকা থোকা রক্ত এক ধরণের ফুল অবহেলান গাছে গাছেদের মাঠ পর্যন্ত ফুটে থাকে। মৃত্যু অনেক আগেই হয়ে যায় একদিন মানুষ জানতে পারে না। মণীন্দ্র বন্ধ কারখানার ভবিষ্যত জানতো ইন্দ্রনাথ আরো ভালো করে হাউসিং কমপ্লেক্সের ভেতর কারখানা একটা শাক দিয়ে চাপা দেওয়া মাছ। মাছটার ছায়া দেখতে পায় রিতকর্ণা এই আবিল দুপুরে অলঙ ছায়ার মাছ। মাছ ভাতের লোভ। সেই দূর গ্রাম থেকে লক চলে আসছে সামন্তপ্রথা চলে যেতে কার্ল ও তার আদিম পিতাদের তত্ত্বাবধানে জমিভাগ হল কিন্তু কি হল কিন্তু কি হল! সুদূর মাছ ভাতের গন্ধ উ মাঠে জমায়েত হবে রাষ্ট্র বলবে অ জমিন তোমাদের লয়। মাই বাপ ঠাকুর দার থেকে আমরাই তো . আদিম পিতাটি হাসতে থাকে বন্যার রাতে নৌক ঠেলে নিয়ে যাবে ইন্দ্রনাথ মাছ চুরি হয়ে যাবে এমন সব কথা ছিল মাঠ চুরি হয়ে যাবে মাঠ কে মাঠ এমন কথা ছিল।

 

অতএব বন্ধের নালা জাম, পুরনো পচা ফ্যানের মধ্যে পেচ্ছবের নোনা স্বাদে মুখ ভরে যাচ্ছে ইন্দ্রনাথ মণীন্দ্র এই আভ্যন্তরীণ পাইপ লাইনের ভেতর থেকে একদিন বেরিয়ে এলে রিতকর্ণা মাঝরাতে একটা ইতালিয়ান ডিস সার্ভ করতে করতে বলবে এরোমাকলজি একটা মিস গাইডেন্স একটা ফেগ্রান্স দিয়ে মানুষের এতদিনের স্ট্রাগেল ধ্বংস করে দেওয়া যায়। এই হাউজিং কমপ্লেক্স একটা প্রজাপতি। কারখানাটা একটা পিউপা ছিল এভাবে সময় কালে গুটি থেকে বেরিয়ে আসে নগর ব্যবস্থার প্রজাপতি। রিতকর্ণা ফুল মেলে ধরে ও তাবৎ মধুর গন্ধ . মণীন্দ্র কাশতে থাকে আর থোকা ফুল। লাল। মণীন্দ্র বুঝতে থাকে।

 

ইন্দ্রনাথ বুঝতে।

ইন্দ্রনাথ বুঝতে থাকে।

রণমিকি বুঝতে থাকে।

 

এই গ্লোবটা একটা রিবুট করে ফিরে আসুক। রণমিকি সুইচ হাত রাখে।

 

Copyright 2020 Sougata Bali Published 1st Apr, 2020.

 

gadha-transparent