ছবি কবিতা

দেবর্ষি সরকার

 

===

 

 

জন্ম ১৯৮৮

স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে মাইক্রোবায়োলজি  নিয়ে

স্নাতক। পেশায় ফটোগ্রাফার। লেখালিখি শুরু ২০০৭-

থেকে। প্রকাশিত কাব্য গ্রন্থ ৩টি

নীরা হতে বলিনি কখনও

শূন্য

নিজস্ব উপকথা

 

 

 

 

বায়োপিক

 

 

 

পিচরাস্তা উঠে আসছে

শরীরের

বিন্দু

বিন্দু

ঘাম

উঠে আসছে

অ্যাস্ফল্ট সামান্য মহামারী

মধ্যাহ্নের জড়তা কাটিয়ে এই চরাচর

ডজন খানেক কাকের কাছে ঋণী

গোটা তিনেক মানুষের তঞ্চকতা হেঁটে যাচ্ছে

খানাখন্দ পেরিয়ে

 

 

 

 

মানুষ মাটির কাছাকাছি প্রপঞ্চময় ও স্যাঁতস্যাঁতে হলুদ

আলো জ্বলা-নেভার মধ্যবর্তী কিছুটা সঞ্চয়

টানারিকশার থেকে সরল বা কষ্টসাধ্য

কিছুই তো অবশিষ্ট নেই আর!

অথচ এই যে বিস্তার,

পুঙ্ক্ষানুপুঙ্ক্ষ বিস্মৃতি

ক্রমাগত হেঁটে যায়

এক হত্যা দৃশ্য থেকে অন্য এক হত্যা দৃশ্যে

যার ফিরে আসা বলতে আরও একরতি সম্ভবনা

এবং এই অনুসন্ধান শেষ পর্যন্ত বিক্রি বাড়িয়ে তোলে

আমরা সকলেই একদিন না একদিন বিক্রি হয়ে যেতে চাই

কারণ এইসব হিসেবের শেষপ্রান্তে বসে থাকে এক দৃঢ়কল্পনা রেখা

ও কোনও এক উচ্চাঙ্গসঙ্গীত বিশেষজ্ঞ

যার প্রতিটি মস্তিষ্ক সঞ্চালন আমাদের আশ্চর্য করে

 

 

 

 

গাছের কোটরে ঠিক যতটা বিস্ময় থাকে

আর, সাধনার বৈভব

তাকে স্পর্শ করা মাত্র একটি তৃণ

উদারতা লক্ষ্য করে

দোল দেয় পৌনপৌ্নিক

অর্থাৎ বসন্ত ও রঙ মিলিয়ে দেখা যেতে পারে

শরীর ফিরে আসছে কিনা আলোচনায়

এই নিরন্তর স্ফটিকের উল্লাস

ও স্তম্ভন পরবর্তী দেহসৌষ্ঠব

হতে আমরা বোধ করি -

মেধা এক অনুপম কল্পবিজ্ঞান

যার লোক ও লস্কর বাঁধা ম্যারাপের দিকে

 

 

 

 

পুনরায় ছায়া হয়ে এল এক

বিপদসঙ্কুল মাছি মাত্রই যা ভ্যানভ্যান ও যাবতীয় ভনভন

তরল সন্ধের কোন ওরজ মুখ নেই

নেই উৎসার যেহেতু

পাতাল প্রবেশ মাত্র গতি উহাদের শিরোপা দেয় অনিবার্য

গাড়ি মাত্রই গোল

একথা সামান্যই পরিচিত ভূবন মোহনে

অতঃপর সকল উদগার

শরীরে বসানো মাত্র ক্লান্তি ফিরে আসে

 

ফিরে আসা গুলি তবে ক্লান্তিকর সময় বিশেষে?

 

 

===